About

ABOUT US

"CHIRANTANI" (Burdwan Municipal High School Alumni Associaltion) came into existance from 2002. It is a non profit organisation incorporated under Indian Trust Act, 1882. Registration No: IV-020300129/2020.

আমরা চিরন্তনীর কাজকর্মের খতিয়ান খাতায়-কলমে বা টাইমলাইন-কীবোর্ডে লিখে রাখার ক্ষেত্রে চিরকালই উদাসীন। ওই কোনোদিন শহর থেকে আরও অনেক দূরে ঘুরতে ঘুরতে অথবা সংস্কৃতি লোকমঞ্চের পাশের চায়ের দোকানে চায়ে চুমুক দিতে দিতে মনে পড়ে সেই থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ছোট্ট বাচ্চাটার কথা, ঝড়-জল-করোনাতেও যার রক্তের ব্যবস্থা আমরা করে দিতে পেরেছি বা বিদ্যালয়েরই কোনো অস্থায়ী কর্মীর বেতনহীন মাসে একটুখানি তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। পেয়েছি হৃদয়ভরা ভালবাসা আর পরিমাপহীন আশীর্বাদ।

এটুকুই তো চেয়েছি আমরা।

চিরন্তনী, বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন। ওই রিইউনিয়ন, পুনর্মিলন, স্মৃতিচারণ ইত্যাদির সাথে সাথে একটু সামাজিক প্রত্যয়যুক্ত একটি সংগঠন। আমাদের পথচলার সূচনা ২০০২ সালে এবং সেই হিসাবে আমরা এখন সদ্য কৈশোর থেকে যৌবনে পা বাড়ানো উদ্যম এক হাওয়া। আমাদের সাধ এবং সাধ্যের মধ্যে তফাত বিশাল, কিন্তু তবুও বেঁধে বেঁধে থাকার স্বপ্ন নিয়ে সুদিনের অপেক্ষায় আমরা, এখনও, এই সময়েও। আঠারো বছর বয়স সত্যিই কী দুঃসহ! সারা শহরকে জানিয়ে, ধুমধাম করে পুনর্মিলন হয় আমাদের, ২০১৯ সালে। স্মৃতির অতলে জমে থাকা বাল্যকালকে আরও একবার রোমন্থন করতে অনাবিল উদ্যম নিয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে সকল টাইমজোনে ছড়িয়ে থাকা প্রায় সাড়ে আটশ ‘লাল চিংড়ি’ একত্রিত হয় স্কুলবাড়ির সীমানায়। সে যেন এক চাঁদের হাট! আসলে পরিবারটা তৈরি হয়ে যায় স্কুলের গণ্ডীতে প্রথম পা রাখার দিনেই, আর চিরন্তনী সেই পরিবারের পরিসরটা বাড়িয়ে দেয়। বিভিন্ন বয়সী দাদারা প্রায় অর্ধেক বয়সী ভাইদের আপন করে নেয় অনায়াসে, এই সব দেখেশুনে চিরন্তনী তখন যেন আলোর থেকেও দ্রুত ছুটছে সামনের দিকে। রিইউনিয়ন এভাবেই সফল হল, দাদাদের পিঠ চাপড়ানো সদ্য স্কুল পাশ করা উদ্যোক্তাদের সকল গাফিলতিগুলো ঢেকে ফেলল রীতিমতো। আনন্দ আর দায়িত্ব বোধ করি সমানুপাতিক বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমার্থক।

বছর ঘুরল, সাথে সাথে পরিস্থিতিও। ধুলো মেখে একসাথে বড় হওয়া ছেলেদের দলকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা শিখতে হল রাতারাতি। আমরা কিছুটা উপশমের জন্য ‘সামাজিক সংহতি’-র কথা বললাম বটে, কিন্তু সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লাম কফি, গান, ছবি আঁকা ইত্যাদিতে। এ যেন অজানা এক নেশা, সামাজিক পরিসরটা ছোট হয়ে এল ফেসবুকে। সর্বাঙ্গীণ সংহতি রক্ষা তখন সোনার পাথরবাটি। অবশ্য ‘সংহতি’ প্রকল্পের শুরুটাও সেই সময় থেকেই। এই প্রকল্পের নামটা ভাবতে যত না আমাদের শ্রম দিতে হয়েছে তার থেকে অনেক অনেক বেশী সময় আমরা দিতাম রক্তদাতা খুঁজতে। চিরন্তনীর জরুরীভিত্তিক রক্তের জোগানের প্রকল্পের পোশাকি নাম ‘সংহতি’। শেষ দেড় বছরে ২১৪ জন রোগীর জন্য আমরা জরুরি অবস্থায় রক্ত জোগাড় করে দিয়েছি। যে সময়ে মানুষ হাসপাতালমুখী হতে ন্যায্য কারণেই দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সেই দিনগুলোতে আমরা রক্তদাতা নিয়ে গিয়ে পড়ে থেকেছি হাসপাতালে। মফস্বলের অসহায় মুখগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছি যারা কিনা রক্তের বন্দোবস্ত করতে হিমশিম খায় আর অবশেষে কালোবাজারির শিকার হয়; পরিচয় একটাই, আমরা চিরন্তনী। এখনও পর্যন্ত সমস্ত কোভিড বিধি মেনে ২৫৩ জন রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়েছেন আমাদের ছ’টা রক্তদান শিবিরে। একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বর্ষবিদায় দিলাম কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ, বলা যায় সুনামি আছড়ে পড়ল আমাদের দেশে। ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতা, নিকটাত্মীয়ের হঠাৎ প্রয়াণ, প্রতিদিনের লাগামছাড়া সংক্রমণের মধ্যেই রক্তের অপ্রতুলতা চলছে বর্ষব্যাপী। এই সংকটকালীন সময়ে আমাদের নতুন উদ্যোগ ‘প্রতিমাসে রক্তদান শিবির’, যা চলবে এক বছর, বারোটি পর্যায়ে, প্রতি মাসে। ইতিমধ্যেই জুন, আগস্ট, অক্টোবর মাসে আমরা প্রথম তিনটে পর্বের শিবিরের আয়োজন করেছি সাফল্যের সাথে। কখনও ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে সারা শহর ঘুরে আবার কখনও হাসপাতালের রক্ত সঞ্চারণ কেন্দ্রেই আমাদের শিবিরের আয়োজন করেছি। প্রতিটি শিবিরেই আমরা শারীরিক দূরত্ব, করোনা সংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধির মান্যতায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।

এরই মধ্যে সরকারি নির্দেশে বিদ্যালয় সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য। শিক্ষক শিক্ষিকার বেতন প্রাপ্তির বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন এসপার ওসপার চলছে তখন আমরা লকডাউনের জেরে বাড়িতে বসেই দিনরাত এক করে বিদ্যালয়ের অনলাইন ক্লাস শুরু করার দিকে এগোচ্ছি। ১৬ই এপ্রিল, ২০২০ সেই ঐতিহাসিক দিন, যেদিন স্কুল ধরা দিল ইউটিউবে আর ছাত্ররা প্রথমবারের মতো মোবাইলে কাঁচের স্ক্রিনের মাধ্যমে দেখতে পেল তাদের পরিচিত শিক্ষক- শিক্ষিকাদের মুখ। তারপর ১৯ টি মাস তারিখ অতিক্রান্ত হয়েছে, আমরা ইউটিউব চ্যনেলে ২১০০ র উপর ক্লাস আপলোড করেছি পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রদের জন্য। প্রাথমিক শ্রেণীর অনলাইন ক্লাসের বিষয়েও আমরা সমানভাবে উৎসাহী এবং চিরন্তনী তাদেরও ক্লাসের ব্যাপারে সমস্ত আনুষাঙ্গিক সহায়তা করতে সর্বদা প্রস্তুত। আমরা বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের ৯০ শতাংশ ছাত্রকে অনলাইন ক্লাসের আওতায় আনতে পেরেছি কিন্তু বাকি দশ শতাংশর ক্ষেত্রেও আমরা কিন্তু উদাসীন থাকিনি। তৃতীয় বিশ্বের এই দেশে মানুষের প্রাথমিক চাহিদা পূরণই যখন প্রতিকূল হয়ে ওঠে তখন সকল পরিবারের কাছে অনলাইন ক্লাস করবার উপযোগী মোবাইল ফোন অথবা অন্য কোনো যন্ত্র থাকা সম্ভব হয় না। আমরা আমাদের সীমিত পরিসরে তাদের জন্য ন্যূনতম মূল্যের একটি করে স্মার্ট ফোনের ব্যবস্থা করতে পারিনি। এ আমাদের ব্যর্থতা, বেশ কিছু সাফল্যের ভিড়ে মাছের কাঁটার মত বিঁধে আমাদের গলায়। এই সময়ের পরিসরে শিক্ষক শিক্ষিকাদের ভূমিকা না বললে অপরাধবোধ ঘিরে ধরে। সম্পূর্ণ নতুন একটি মাধ্যমে তাঁরা নিজেদেরকে মানিয়ে নিয়েছেন অনায়াসে। কখনও তাঁদের বাড়িতে, কখনও ইন্টারনেটের মাধ্যমে, আবার কখনও সারাদিন বিদ্যালয়ের স্মার্ট ক্লাসরুমে ক্যামেরা নিয়ে গিয়ে ক্লাস রেকর্ডে সহায়তা করেছি আমরা। তাকে ইউটিউবের যোগ্য করে তোলা এবং ছাত্রদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছি অনিপুণ হাতে। আমরা কিন্তু অবৈতনিক এবং এই সারাবছরের স্বেচ্ছাশ্রম সম্পূর্ণই স্কুলের প্রতি ভালবাসার জন্যই উৎসর্গীকৃত।

জীবন কারোর জন্য থেমে থাকে না। দ্রুত ত্বরণে চলতে থাকা সময়ের সাথে তাল মেলাতে না পারলে ঠিক কখন যে আমরা বাতিল হয়ে যাব তা বুঝতেও পারব না। একাদশ শ্রেণির ভর্তি প্রক্রিয়ায় শারীরিক সংযোগ কমানোর জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর থেকে সমগ্র পদ্ধতি অনলাইন মাধ্যমে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, দ্রুত আমরা উপলব্ধি করি যাদের হাতে এই সুবিধাগুলো নেই, তারা হঠাৎ করেই অনেকটা ব্যাকফুটে চলে যাবে। মুহুর্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল আমরা হেল্পডেক্স বানাব, একাদশ শ্রেণীর ভর্তিতে ছাত্রদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে। এতে সব ছেলে উপকৃত হল না ঠিকই, তবুও প্রায় ৫০ জন ছাত্র আমাদের মাধ্যমে ভর্তির ফর্ম ফিল আপ করতে পারল, আর আমরা আমাদের উত্তরসূরীর মধ্যে চিরন্তনীর বীজ বপন করে দিলাম।

এদেশে ডাক্তারকে ভগবান বলা হয় আবার নির্বিচারে তাঁদের গায়ে হাত তোলা যায়- দুর্ভাগ্য! তাঁদের মানুষ ভাবতে আমরা শিখিনি। ছুরি-কাঁচি-ক্যাপসুলের পরিমিত ব্যবহারে তাঁরা সুনিপুণ দক্ষতায় মানুষকে সুস্থ রেখে চলে, সে কথা সঠিক হলেও, দিনের শেষে তাঁরাও আমাদেরই মতো ক্লান্তি, ত্রুটি ও আবেগপূর্ণ। এই অতিমারীর সময়ে তাঁদের অক্লান্ত পরিসেবা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল নিশ্চিত মৃত্যুর সামনে;- কখনও নতুন ভাইরাসের অতিমারীতে আমরা ভীত হচ্ছি, আবার কখনও ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস নিচ্ছে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের মত রোগ, এসবের পরেও চিরাচরিত শারীরিক সমস্যার সাথেও যুঝছি নিরন্তর। এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আমাদের নতুন উদ্যোগ 'গণদেবতা'। এটি একটি আপৎকালীন টেলিমেডিসিন প্রকল্প। অন্তর্জালের এই বাজারে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে যে কোনো রোগের উপশমের জন্য ২৪ ঘন্টা বিনামূল্যে প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়তা পাবেন ‘গণদেবতা’র সাহায্যে। এই পরিসেবা শুধুমাত্র কোভিড সংক্রান্ত সমস্যার জন্য নয়, আপনার যাবতীয় শারীরিক এবং মানসিক সমস্যার জন্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত আছেন আমাদের প্রাক্তনী ডাক্তারেরা এবং একাধিক স্বেচ্ছাসেবক। ডাক্তারদের ব্যস্ততার কথা মাথায় রেখেই আমরা স্বেচ্ছাসেবকদের সংযুক্ত করেছি। রোগী অথবা রোগীর আত্মীয় নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করলে তাঁর প্রাথমিক সমস্যার কথা জেনে নিয়ে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের সাথে তাঁর যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

দ্বিতীয় ঢেউ অথবা সুনামির সাথে সাথেই দেশজুড়ে অক্সিজেনের সংকট প্রকট হয়েছে। মিডিয়ার দৌলতে অক্সিজেনের সন্ধানে রোগীর পরিবারের নাস্তানাবুদ অবস্থার ছবি সকলের কাছেই পৌঁছেছে। দেশজুড়ে বিভিন্ন সংগঠন অক্সিজেনের সংকট মেটানোর উদ্যোগে সামিল হয়েছে। চিরন্তনী কোনো ব্যতিক্রম নয় বরং সবার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরাও বিনামূল্যে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের ইচ্ছার ব্যপ্তিগুলো বিশাল হলেও পরিসরটা নিজেদের মতো করে ছোট করে নিতে হয়েছে। শহরের যে কোনো প্রান্তে মুমুর্ষু রোগীর জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন হলেই আমরা তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি।

অপরদিকে এই সংকটই আমাদের মনে করিয়ে দেয় অক্সিজেনের প্রাকৃতিক উৎস সবুজ গাছকে, শহুরে সভ্যতা অপহরণ করছে প্রতিনিয়ত। না-শহরকে গ্রাস করার দৌড়ে প্রতিদিন অসংখ্য গাছ কাটা হচ্ছে পৃথিবীব্যপী। বর্ধমান জুড়ে ছড়িয়ে থাকা বনানী মৃত্যুভয় নিয়ে টিকে আছে কোনোমতে। আমাদের পরিবেশটাকে আরও একটু শিশুর বাসযোগ্য করার উদ্দেশ্য নিয়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আমরা পালন করেছি বৃক্ষরোপণ উৎসব।

মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল প্রকাশিত হল। আমাদের ভাইয়েরা কোনোদিনই তাদের জীবনের বড় পরীক্ষাগুলো এইভাবে শেষ হওয়ার কথা ভাবেনি। তবু আমরা তো পরিস্থিতির সামনে আজও পরাধীন। তাদের মার্কশিট নিয়ে যাওয়ার দিনে তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা তুলে দিলাম একটি করে গাছের চারা, ভবিষ্যতের পৃথিবীকে আরও একটু ভাল রাখার লক্ষ্য নিয়ে। আবার উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ ভাইদের হাতে তুলে দিলাম শুভেচ্ছাবার্তা স্বরূপ গ্রীটিংস কার্ড, যার মধ্যে ভরা থাকল গাছের বীজ। সেই বীজ একদা মহীরূহ হবে, জীবনের যুদ্ধে যুঝতে শিখে আমাদের ভাইয়েরাও হবে মহীরুহ সমান, এই আমাদের আশা।

এই লকডাউন মধ্যবিত্তদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অভিশাপ হিসাবে ধরা দিয়েছে। কর্মহীনতা যে কীভাবে জীবনের প্রাথমিক চাহিদা পূরণে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় তা আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, সে কথা মাথায় রেখেই বিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে চিরন্তনী। লকডাউনের মাসগুলিতে বিপিএল তালিকাভুক্ত ছাত্ররা পেয়েছে মাসিক রেশন। প্রাক্তন এবং বর্তমান ছাত্রদের দুঃসময়ে, আকস্মিক রোগের চিকিৎসার খরচে চিরন্তনী জরুরি ভিত্তিতে সাহায্য করেছে। পুজোর মাসে বিদ্যালয়ের অস্থায়ী কর্মচারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি আমরা, আমাদের সাধ্যমতো।

এভাবেই আমাদের গল্পগুলোকে একসাথে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন বা বর্তমান ছাত্র, শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী আপনারা প্রত্যেকে আমাদের বৃহত্তর পরিবারের সদস্য। আপনারা সামিল হন এই কর্মযজ্ঞে, তবেই আমাদের গল্পগুলো একদিন রূপকথা তৈরি করবে।

ভাল থাকুন, এই কয়েকটা দিন সাবধানে থাকুন।

chirantani working committee

Advisory Committee

Prasanta Kr. Bannerjee
Ashoke Samanta
Dr. Sambhunath Chackrabarti
Sanjib Chackrabarty

president

Shyamaprasad Bannerjee

vice president

Satyadarshan Dutta
Arunava Chackrabortty
Swapan Biswas
Samir Roy

secretary

Sajal Raja

JOiNT secretary

Fazlul Haque
Ratul Das

assistant secretary

Arijit Ghatak
Subhajit Koner
Sudipta Dawn

treasurer

Kausik Ray
Nabendu Maji

general body

Ramkrishna Karmakar
Tarun Khan
Kamalesh Ghosh
Sayantan Mukherjee
Susanta Ghosh
Mantu Saha
Anirban Hazra
Mehebub Hasan
Radha Gobinda Saha
Nandan Banerjee
Soumyadeep Banerjee
Himadri Sarkar
Bappaditya Dawn
Rohan Roy
Soumik Roy
Jyotirmoy Pal
Srijoy Bhattacharya
Hasim Uddin Mallick
Abhijit Sen
Debargha Maji
Debopriyo Das